আমি সাবেক ছাত্র নেতা তাদের কাছে আমার অনুরোধ।এবং তাদের প্রতি কিছু নির্দেশনা আছে আমার

প্রত্যেকটা সাবেক ছাত্রনেতাকে বলবো তোমার নিজ নিজ ব্যাচে যারা ছাত্রলীগের সদস্য ছিল,তারা বিভিন্ন জায়গায় কর্মরতও আছে এবং অনেকেই আন্দোলন সংগ্রামে বা দলেও আছে।এদের সকলের সঙ্গে গণসংযোগ বাড়াতে হবে এবং তাদেরকে সম্পৃক্ত করতে হবে।তাদের সাথে যোগাযোগ করে আগামী আন্দোলন কিভাবে আরো শক্তিশালী বেগবান করা যেতে পারে সে পরিকল্পনা নিয়ে তাদের এগোতে হবে।কারণ তারা আন্দোলন করে এসেছে, ছাত্রলীগ করে এসেছে, তাদের অনেক অভিজ্ঞতা।সেটা এখন কাজে লাগাতে হবে।আজকে আমাদের ছাত্রলীগের ছেলেপেলেরা এই বৈরী পরিবেশে তারা যে যেভাবে পারছে কিছু আন্দোলন কিন্তু করে যাচ্ছে।ছাত্রলীগ কিন্তু মাঠে আছে।ছাত্রলীগ আছে, সেখানে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক তারাও করে যাচ্ছে।আওয়ামী লীগও সীমিতভাবে করে যাচ্ছে।কিন্তু আমাদের সাবেক ছাত্রনেতাদের উপরে এই দায়িত্বটা আমি দিচ্ছি যে তারা এখানে ঐক্যবদ্ধ হবে, সকলের সঙ্গে সংযোগ করবে,এবং পরিকল্পনা করবে এবং আগামী দিনে এই আন্দোলনটাকে আরো বেগবান করার জন্য যা যা করার তাদেরকে করতে হবে।সেই সাথে সাথে আমাদের ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান ছাত্রনেতারা আগামীতে বাংলাদেশকে কিভাবে আমরা আবার উন্নত করতে পারি,এই অন্ধকার যুগ থেকে আলোর যুগে নিতে পারি,দেশের মানুষের ভাগ্য আবার পরিবর্তন করা তাদের জীবনমান উন্নত করতে পারি,তার পরিকল্পনা করতে হবে।কারণ নেতৃত্ব তো আগামী দিনে তাদেরই আসতে হবে।এই এই তরুণ সমাজকেই আসতে হবে।কিন্তু সেখানে তাদের চিন্তাভাবনা, তাদের পরিকল্পনা, একটা দিক দর্শন থাকতে হবে।সেইভাবে নিজেদেরকে প্রস্তুত করতে হবে, তৈরি করতে হবে এবং এই ধরনের পরিকল্পনা করে এটা আমাকে জানাতে হবে।এবং সেইভাবে নিজেদেরকে তৈরি করতে হবে।

রাজধানী থেকে একেবারে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত গণসংযোগ বাড়াতে হবে।এবং সেই এলাকায় আওয়ামী লীগ সরকার কি কি উন্নতি করেছে সেগুলো যেমন লিফলেট আকারে, ডেবুলেট আকারে অথবা সোশ্যাল মিডিয়ায় যেভাবে পারুক সেটা যেমন প্রচার করতে হবে,পাশাপাশি ওইসব অঞ্চলে কি কি নির্যাতন হয়েছে।নাহলে তো এক কোটির উপর বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা,এখন ইন্ডাস্ট্রি থেকে শুরু করে মৎস্য খামার, মুরগির খামার, বাগান, হালের গরু সবই ধ্বংস করা হয়েছে।অর্থনীতিকে একেবারে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।কাজেই এই কি কি ধ্বংস এর একটা তালিকা বের করতে হবে।এবং ছাত্রনেতারা, ছাত্রনেতারা যেমন করবে এবং সাবেক ছাত্রনেতাদেরকেও আমি একটাসেই কাজটাই দিচ্ছি যে তারাও এইগুলি সংগ্রহ করবে।সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয়তা বাড়াতে হবে।কারণ সোশ্যাল মিডিয়াতে একজন যখন আমাদের যদি ভালো কিছু দেয়,সঙ্গে সঙ্গে সেটাকে এটেন্ড করতে হবে, সেখানে কমেন্ট দিতে হবে, সেখানে সমর্থন দিতে হবে।এবং সার্বিকভাবে দেশের যে সমস্ত অপকর্মগুলি হচ্ছে,সেগুলি তুলে ধরে কিভাবে আমরা এখান থেকে বের হয়ে আসতে পারি, দেশকে আরো সুন্দরভাবে করতে পারি,সেই বিষয়টার দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়ার জন্য আমি অনুরোধ জানাচ্ছি।

Post a Comment

Previous Post Next Post